অনুসন্ধান করুন

Showing posts with label শেরে বাংলা(রহঃ). Show all posts
Showing posts with label শেরে বাংলা(রহঃ). Show all posts

August 09, 2017

বই ফাতাওয়া ই আযিযীয়াহ্ শরীফ

               আসসালামু আলাইকুম
বই: ফাতাওয়া আযীযিয়াহ্
লেখক: মোজাদ্দেদ এ দ্বীন মিল্লাত ইমামে  আহলে সুন্নাত গাযী আজিজুল হক্ব শেরে বাংলা রহঃ
বঙ্গানুবাদ: মাওলানা মুহাম্মাদ এম এ মান্নান মাঃ জিঃ  আঃ

📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚
👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈

August 06, 2017

"দিওয়ানে আজিজ" ডাউনলোড করুন

আসসালামু আলাইকুম
বই: দেওয়ানে আযীয

লেখক : ইমাম-ই আহলে সুন্নাত, পীরে তরীক্বত, তাজুল ওলামা,শামসুল মুনাযিরীন ,মুবাল্লিগুল ইসলাম, মুজাহিদুল আ'যম, আশিক্বে রসূলে আকরাম, হযরতুল হাজ্জ আল্লামা গাযী সৈয়দ মুহাম্মাদ আযীযুল হক শেরে বাংলা আল-ক্বাদেরী রঃ

বঙ্গানুবাদ: মাওলানা এম.এ মান্নান মঃ জিঃ আঃ সাহেব

দিওয়ান-ই আযীয
👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈
📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖

April 27, 2016

মহানবী (দ:) এর পিতামাতা কাফের অবস্থায় মৃত্যু করেননি বরং ঈমানদার, মুমীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন এবং ইমাম শেরে বাংলা (রহ:) এর ঘঠনা

মহানবী (দ:) এর পিতামাতা কাফের অবস্থায় মৃত্যু করেননি বরং ঈমানদার,
মুমীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন এবং ইমাম শেরে বাংলা (রহ:) এর ঘঠনা
______________________________
----------------------------------------

আল্লামা গাজী শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) তখন মেখল ফকিরহাট এমদাদুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষকতায় নিয়োজিত।
বর্তমান গহিরা এফ কে জামেউল উলুম আলীয়া মাদ্রাসা।
একদিন সুপরিকল্পিতভাবে হযরত শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এর কাছে একটি মাসআলার সমাধান জানতে তত্পর হলেন।
এই বিশেষ মাসআলাটি হল হযরত রাসুলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাতা পিতা মুমিন ছিলেন কিনা?
হযরত শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এতে দীপ্ত কন্ঠে উত্তর দিলেন হ্যাঁ! অবশ্যই মু'মিন ছিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই। আলেমদ্বয প্রশ্ন উত্থাপন করে বললেন আমরা আপনার অভিমত গ্রহণ করতে পারলাম না!। কেননা ইমামে আজম হযরত ইমাম আবু হানিফা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) কর্তৃক রচিত সুবিখ্যাত ফিকাহে আকবর নামক গ্রন্হে বর্ণিত আছে মা'তা আলাল কুফর.
অর্থাৎ প্রিয় নবীর মাতা পিতা কুফরের উপর মৃত্যুবরণ করেছে।
এ বর্ণনা শুনে হযরত শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এর মাঝে ইশকে রাসুলের জোয়ার সৃষ্টি হল।
কারণ তিনি তো ছিলেন ফানাফির রাসুল নবী প্রেমে সদা নিমগ্ন।
তিনি দীপ্ত কন্ঠে প্রতিবাদ করে বলে উঠলেন অসম্ভব ইমামে আজম আবু হানিফা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এ রকম বর্ণনা করতে পারেন না।
হযরত শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) নবী প্রেমে জীবনে কোনদিন আপোষ করেননি।
নবীপ্রেমে বিভোর হয়ে তিনি ইমাম আজম আবু হানিফা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এর বিরুদ্বাচরণ করতেও কুণ্ঠিত হলেন না।
তিনি অগ্নিশর্মা নয়নে বলে উঠলেন হ্যাঁ তাঁর থেকে যদি এ রকম রেওয়ায়েত সত্যি সত্যিভাবে হয় থাকে তবে আমি বলছি
ঐ আজমের কোন প্রয়োজন নেই।
তাঁকে তো আমি জানছি প্রিয় রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাধ্যমে।
আর তিনি যদি প্রিয় রাসুলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসন্তষ্ঠ হন এমন বর্ণনা করেন তাঁর তাকলিদ (অনুসরণ) আমার কাজে আসবে না।
অতঃপর হযরত শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) কে যখন উক্ত ফিকাহে আকবর নামক কিতাব দেখানো হল তখন তিনি দীপ্ত কণ্ঠে চ্যালেন্জ করে বললেন আজ রাতে ইমামে আজম আবু হানিফা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) যদি স্বপ্নে বা বাস্তবে এসে ফিকাহে আকবরের উক্ত বণনা যুক্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য অভিমত পেশ না করেন তবে আমি আগামীকাল্য হানাফী মাযহাব ত্যাগ করব। আলেমদ্বয় শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) এর এরুপ দৃঢ় অঙ্গীকার শুনে হতভম্ব হয়ে পড়লেন।
এ কথার উপর তাঁদের আলাপ মুলতবি হল। পরদিন সকালে শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) আনন্দিত চিত্তে মাদ্রাসায় আগমন করলেন।
অফিসে ঢুকে সবাইকে সালাম জানালেন। গতদিনের ঘটনা প্রবাহের অবতারণা করে গাজী শেরে বাংলা (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) ফরমালেন আমি গত রাত্তে দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বিছানায় শুয়ে দরুদ শরীফ পড়ছিলাম আমার তন্দ্রা আসলে হযরত রাসুলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও হযরত ইমামে আজম আবু হানিফা (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কে দেখলাম।
আমি ভক্তি সহকারে সালাম আরজ করলাম। পেয়ারা রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সস্নেহে এরশাদ করলেন আজিজুক হক! আমার প্রেমে মগ্ন হয়ে তুমি ইমামে আজমের মাজহাব ত্যাগ করতে প্রস্তত হয়েছ। আমি জানি তোমার অনুরাগ ও ভালবাসা গভীর। ইমামে আজম তোমার মাজহাব ত্যাগের সংকল্প জেনে আমার সুপারিশের আশ্রয় নিয়েছে। অতএব তিনি যদি তাঁর ঐ বর্ণনার যথোপযুক্ত কারণ দর্শাতে পারে তাহলে তোমার হানাফী মাযহাব ছাড়ার কোন প্রশ্ন আসে না।
প্রিয় নবীর এরশাদ শুনে আমি বললাম ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আপনার মহান আদেশ আমার শিরোধার্য। অতঃপর হযরত ইমামে আজম (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি রাহমাহ) আমাকে সম্বোধন করে বললেন প্রিয় বৎস! আমার কোন দোষ নেই। আমি লিখেছিলাম মা'মাতা আলাল কুফর ।অথ্যাত্ রাসুলে পাকের পিতামাতা কুফরের উপর ইন্তেকাল করেননি।
কিন্তু দূভাগ্যবশতঃকোন সুন্নী মতাদশের লোক ঐ কিতাব ছাপাননি।
বরং বাতেলপন্হী রাফেজী কতৃক পরবর্তী সংস্করণসমুহ ছাপা হয়েছে।
যার কারণে রাসুলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাতা পিতার সর্ম্পকে মন্তব্যকে ষড়যন্তমুলকভাবে বিকৃত করেছে এবং ঐ রাফেজীদের সংস্করণসমুহে রাসুলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাতা পিতা কুফরের অবস্হায় ইন্তেকাল করেছেন বলে লিপিবদ্ব করেছে।

মোজাদ্দেদে মিল্লাত হযরতুল আল্লামা গাজী শেরে বাংলা রহমাতুল্লাহ আলাইহি রাহমাহ এর অমিয় বাণী

মোজাদ্দেদে মিল্লাত হযরতুল আল্লামা গাজী শেরে বাংলা রহমাতুল্লাহ আলাইহি রাহমাহ এর অমিয় বাণী
-----------------------------------------
১. আমার নিকট সবচেয়ে বড় স্বার্থ হল ঈমানের হেফাজত।
কিছুমাত্র ঈমানের ক্ষতি হওয়াকে আমি বড়ই ক্ষতিগ্রস্থ ও আঘাতস্বরূপ মনে করি।
ইহজগতের মান-সম্মান ও আর্থিক সুযোগ-সুবিদাকে খুবই নগণ্য মনে করি।
এজন্য আমার কাছে শুধু সম্পদশালির সম্মান নেই।
ধার্মিক মানুষদেরই মর্যদা আছে।
দ্বীণদার ব্যাক্তি খুবই গরিব হলেও আমার কাছে তার সম্মান আছে।

২. বে এশকে মোহাম্মদ জু মোহাদ্দাছ হেঁ জাহাঁমে, আতায়ে বোখার উছ্কু বোখারী নেহী আতি।
অর্থাত্‍: আল্লাহর প্রিয় নবী সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর মহব্বত যে মোহাদ্দেস সাহেবের অন্তরে নেই, সে পবিত্র হাদিসের কিতাব বোখারী শরীফ পড়াতে গেলে তার জ্বর আসবে। প্রকৃতপক্ষে তার দ্বারা বোখারী শরীফ শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে না।

৩. "এশকে মাহবুবে খোদা, জিছ্ দিলমে হাছেল নেহী, লাখো মোমেন হুমগর ঈমান মে কামেল নেহী।
"এই কালামের অনেকেই অনেক প্রকার অর্থ করে থাকেন।
কিন্তু আমি তার অর্থ এরূপ করে থাকি।
অর্থাৎ: আল্লাহর পেয়ারা রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর খাটি মহব্বত যার অন্তরে স্থান পায়নি সে মোমেন নহে।
যদিওবা হাজার পূণ্যকাজ করতে থাকে দেখা যায়।
যেহেতু ঈমানের মাপকাঠিই হচ্ছে রাসূল প্রেম। অর্থাৎ মানুষের অন্তরে হুজুরে আকরাম সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর যে পরিমান মহব্বত হাছেল হয়েছে সে তৎপরিমান মোমেন।
অন্যথায় তার সব কিছুই বেকার ও নিস্ফল।

৪. ছরকারে দোআলম সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর প্রকৃত আশেকগণের অত বেশি আমলের দরকার হবেনা।
ছরকারে দো- আলমের এক নজরের প্রতিক্ষায় তারা থাকেন।
আর বিশেষ কিছু তাঁরা চান না।

৫. অনেক শুধু সুন্নাতে রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এরই চর্চা করতে দেখা যায়।
আমি (শেরে বাংলা) বলি প্রকৃতপক্ষে সুন্নাত কয়েক প্রকার হয়ে থাকে।
এক প্রকারের সুন্নাত হল সকল কাজে আল্লাহর পেয়ারা রাসূল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর প্রদত্ত নিয়ম ও ত্বরীক্বাকে অনুসরণ করা।
এটাকে সুন্নাতে রাসূলুল্লাহ্ বলা হয়ে থাকে।
এটা সর্বস্তরের মুসলমান নতঃশিরে পালন করে এবং এর প্রতি কারো বিরক্তি নেই।
আর এক প্রকারের সুন্নাত হল সুন্নাতে সাহাবা, অর্থাৎ: সাহাবায়ে কেরামের তরীক্বা বা প্রথা। আর এক প্রকারের সুন্নাত হল সুন্নাতে ওলামা অর্থাৎ আলেম সমাজের নির্ধারিত প্রথা।
যা হক্বানী ওলামায়ে কেরাম প্রচলন করেছেন। আর এক প্রকারের সুন্নাত হল সুন্নাতুল্লাহ্।
অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলারই এক খাছ আদত শরীফ যা পবিত্র কোরআন মজিদের মধ্যেও ঘোষনা আছে।

(তথ্যসুত্রঃ ইমাম শেরে বাংলা (রাহঃ)'র জিবনী- ২২৪-২২৫পৃঃ)