শিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

সাহাবীদের গালি দিলে ঈমান থাকবেনা

⭐সাহাবীদের গালি দিলে ঈমান থাকবেনা⭐
▶▶▶▶▶▶▶▶▶▶▶◀◀◀◀◀◀◀◀◀◀◀
↘আল্লাহ তাআলা কোরআন শরীফে বলেন-
رضي اللّٰه عنهم ورضوا عنه
আল্লাহ তাদের উপর রাজী হলেন,তারাও আল্লাহর উপরে রাজী হলেন।
সুত্র:-আল-বায়্যিনা,৯৮:৮;
বুঝা গেল সাহবীদের উপর আল্লাহ রাজী, আর সাহাবীরা আল্লাহর উপরে রাজী।
কিন্তু বর্তমানে আমাদের কিছু ভাই হযরত আলী (রা) ও আমিরে মোআবিয়া (রা) এর মধ্যকার ইজতিহাদী মতবেদকে কেন্দ্র করে আমিরে মোআবিয়া (রা) কে গালিগালাজ করে, যা সত্যিই দুঃখজনক।
অথচ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
↘ আমার সাহাবীদের মতবেদ রহমত স্বরুপ।
আফসোস, সাহাবী বানালেন নবিজী আর হিসেব নিচ্ছি আমরা!!!
এজন্য আল্লাহর নবী
বলেছেন-
لا تسُبّوا أصحابي،فلو أنّ أحدكم انفق مثل أحد ذهبا ما بلغ مدّ أحدهم،ولا نصيفه
আমার সাহাবাদেরকে গালি দিয়োনা।যদি তোমাদের মধ্য থেকে কেউ উহুদ পাহাড় বরাবর স্বর্ণ ব্যায় করে দাও তবুও তাদের কোন একজনের সের বা তার অর্ধেক বরাবর পৌছতে পারবেনা।
সুত্র:- সহীহ বুখারী-কিতাুব ফাদায়েলীস সাহাবা,হাদীস নং ৩৪৭০;
মুসলিম-কিতাবু ফাদায়েলীস সাহাবা,হাদীস নং ২৫৪০;
তিরমিযি-কিতাবুল মানাকেব,হাদীস নং ৩৮৬১;
আবু দাউদ-কিতাবুস সুন্নাহ,হাদীস নং ৪৬৫৮;
↘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
لا تمسُّ النار مسلما رآني او ورأي من رآني
সে মুসলমানকে জাহান্নামের আগুন কখনো স্পর্শ করবেনা যিনি আমাকে দেখেছেন অথবা আমার দ্রষ্টাদের (সাহাবীদের) দেখেছেন।
সুত্র:-তিরমিযি -কিতাবুল মানাকিব,হাদীস নং ৩৮৫৮;
বুখারীর-তারিখুল কাবীর, হাদীস নং ৩০৮২;
কিন্তু দুঃকজনক বিষয় হলো আজকে আমাদের কিছু ভাইয়েরা সাহাবী ইজতিহাদী বিষয়কে উপলব্দি না করে তাদের বিরুদ্ধে যা ইচ্ছা তাই বলছে-
অথচ
↘আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
اختلاف أصحابي لكم رحمة
আমার সাহাবীদের মতবেদও তোমাদের জন্য রহমত স্বরুপ।
সুত্র:-বায়হাকী-আল মাদখাল আলাস সুনানিল কুবরা ১/১৬২,হাদীস নং ১৫২;
আল কুযায়ী-মসনাদুশ শিহাব ২/২৭৫,হাদীস নং ১৩৪৬;
ইবনে আব্দিল বার-আত তামহিদ ৪/২৬৩;
খতিবে বাগদাদী-আল কিফায়া ফি ইলমির রাওয়াইয়্যাহ ১/৪৮;
দায়লমী-মুসনাদুল ফিরদাউস ৪/১৬০, হাদীস নং ৬৪৯৭;
আর যারা এরপরও সাহাবাদের গালি দেয় গাদের সম্পর্কে
↘নবীজি বলেছেন-
اذا رأيتم الّذين يسبُّوا أصحابي فقولوا لعنةُ اللّٰه علي شرِّكم وفي رواية فلعنوهم
যখন তোমরা সেই লোকদের দেখবে যারা আমার সাহাবায়ে কিরামকে ভালমন্দ বলছে,তখন তোমরা বল,তোমাদের মন্দের দরুন তোমাদের উপর আল্লাহর লানত হোক।অন্য বর্ণনায় এসেছে তাদের লানত করিও।
সুত্র:-তিরমিযি-কিতাবুল মানাকিব,হাদীস নং ৩৮৬৬;
আহমদ বিন হান্বল-ফাদায়েস সাহাবা, হাদীস নং ৬০৬;
তাবরানী -মুজামুল আওসাত ৮/১৯০-১৯১,হাদীস নং ৮৩৬৬;
↘হাদীস শরীফে নবিজী আরো বলেছেন-
يجيئُ في آخر الزّمان قومٌ يسبّون أصحابي فان مرضوافلا تعودهم،وإن ماتوا فلا تشهدوهم،ولا تناكحوهم،ولاتوارثوهم،ولا تسلموا عليهم،ولا تصلُّوا
عليهم
শেষ জামানায় এমন এক সম্প্রদায় আসবে,যারা আমার সাহাবাদের ভালমন্দ বলবে,এমতাবস্হায় (এসব লোক) যদি মারা যায় তাদের জানাজায় অংশগ্রহন করিওনা এবং তাদের সাথে বিবাহ শাদী করিওনা।তাদের ওয়ারীশ বানিওনা,তাদেরকে সালাম দিবেনা এবং তাদেরকে দোয়াও করবেনা।
সুত্র:-খতীবে বাগদাদীর-তারিখে বাগদাদ ৮/১৪৩,হাদীস নং ৪২৪০;
তাই নবিজী আরো বলেছেন-
তোমরা আমার সাহাবাদের মন্দ বলিওনা,কারন-
فلمقام أحدهم ساعةً،خيرٌمن عمل أحدكم عمره
তাঁদের আমলের এক মুহুর্ত তোমাদের সারা জীবনের আমল অপেক্ষা উত্তম।
সুত্র:-ইবনে মাজাহ-মুকাদ্দামাহ, হাদীস নং ১৬২;
ইবনে আবি শয়বাহ-মুসান্নাফ,হাদী নং ৩২৪১৫;
শিক্ষনীয়:-সাহাবীদের ইজতিহাদী মতবেদ সমুহে উম্মতের চুপ থাকাই শ্রেয়।
অন্যথায় সহাবীদের মন্দ বলার কারনে সাথে সাথে বেঈমান হয়ে যাবে।
আল্লাহ পাক সকলকে বুঝার তওফিক দান করুক আমিন
ফেইসবুকে আমি

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শিয়াদের জঘন্য আক্বিদা সমূহ

শিয়াগণ যদিও রাজনৈতিক সম্প্রদায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ; কিন্তু পরবর্তীকালে তারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে কতিপয় মতবাদ তৈরী করেছে।
যেগুলোর সাথে সুন্নী মতবাদ সমূহ সাংঘর্ষিক ।
তা নিম্নরূপ:
১. শিয়ারা কালেমায়ে তাইয়্যেবা لا اله الا الله محمد رسول الله এর সাথে و على خليفة الله বৃদ্ধি করে থাকে, (শিয়া–সুন্নী ইখতেলাফ , পৃ:১৬ এবং মুসলিম সংস্কৃতির ইতিহাস, পৃ:৩২
.
২. শিয়াদের মতে ,ইমামত ঈমানের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত ।
.
৩.শিয়াদের মতে,ইমামত হযরত মুহাম্মদ এর বংশধরদের জন্মগত অধিকার ।
যেহেতু তার কোন যুবক পুত্র দিলো না, সেহেতু হযরত আলী ও হযরত ফাতেমার বংশধরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
.
৪. মহান বীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ইন্তেকালের পর যারা খলিফা হয়েছিলেন তারা হযরত আলীকে ন্যায় সংগত অধিকার হতে বন্ঞ্চিত রেখেছেন এবং তারা জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলকারী ছিলেন।
ফলে তাঁরা কাফির ও মুরতাদ হয়ে গেছেন । ( নাউজুবিল্লাহ) ( শিয়া-সুন্নী ইখতেলাফ, পৃ:১২)
.
৫. শিয়া মতানুসারে ইমাম জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচিত হতে পারে না।
কারণ জনগনের নির্বাচিত ক্রটিযুক্ত ।
তাই ইমাম আল্লাহ তা,য়ালা কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং তিনি হবেন নিষ্পাপ ।
তাকে জনগণ কর্তৃক অপসারণ করা যাবে না ।
.
৬. শিয়াগণ মনে করে , মানুষ ও আল্লাহর মাঝে মধ্যস্থতাকারী হলেন ইমাম ।
তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত ।
.
৭.ইমাম শুধু ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক নেতাই নন পার্থিব নেতাও বটে ।
চরমপন্থী শিয়ারা ইমামকে আল্লাহ পাকের প্রতিনিধি হিসেবে মনে করে ।
.
৮. শিয়াগণ হযরত আবু বকর, হযরত ওমর ও হযরত ওসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-ওনাদের খিলাফতকে অস্বীকার করে।
এমনকি তারা উমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফতকে অস্বীকার করে।
হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ) ওনাকে বঞ্চিত করায় তারা যালিম , মুনাফিক ও জাহান্নামী-(নাউজুবিল্লাহ) ।
(ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৮)
.
৯.শিয়াদের আক্বিদা হল, হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রূহানী শক্তি প্রাপ্ত এবং হযরত আলীর শরীরে আল্লাহর পবিত্র গৌরবের রশ্মি নিপতিত হয়েছিল।
হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ওনার বংশধরদের মধ্যেও এই খোদায়ী নূর সংক্রমিত হয়েছে ।
সুতরাং তারা পাপ বা ভুল করতে পারেন না।
.
১০. শিয়াদের মতে,ইমাম অবিভাজ্য এবং একই সময়ে দুইজন ইমাম এর যুগপৎ আর্বিভাব অসম্ভব।
.
১১. শিয়াগণ হযরত আলীর মুহাব্বতে অতিরঞ্জন করে বলত যে, প্রকৃতপক্ষে ওহী নাযিল হয়েছিল হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ,র প্রতি ; কিন্তু জিব্রাঈল (আ:) ভুল করে হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার নিকট নিয়ে গেছেন ।
.
১২. শিয়ারা কোরআনের চিরন্তনতা ও অবিনশ্বর স্বীকার করে না।
তারা বলে কোরআন সৃষ্ট ও নশ্বর।
.
১৩. দ্বাদশ পন্থী শিয়াদের মতে, তাদের দ্বাদশ পন্থী ইমাম মুহাম্মাদ আল মুন্তাযির কিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদী হিসেবে আবির্ভূত হবেন ।
আবার এক শ্রেণীর শিয়ার বিশ্বাস হচ্ছে, হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)'র পুত্র মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ আল্লাহর হুকুমে আত্মগোপন করে আছেন , এক সময় তিনি ইমাম মাহদী রূপে পুনরায় আগমন করবেন।
.
১৪. শিয়াদের মতে , পবিত্র কোরআন ও হাদিস ইসলামী জ্ঞানের উৎস ।
কাজেই ইজমা ও কিয়াসের কোন প্রয়োজন নেই।
.
১৫. শিয়াগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস , ইবনে ওমর , হযরত আয়েশা (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনাদের হাদিস মানে না।
কারণ তারা নাকি হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)ওনার ব্যাপারে হুজুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার অন্তিম উপদেশ গোপন করেছেন ।
.
১৬. শিয়াদের একটি বিরাট অংশ বিশেষ করে ইসমাইলিয়ারা বিশ্বাস করে যে,ইমাম ইসমাঈল আখেরী নবী । ( মুসলিম সংস্কৃতি ইতিহাস , পৃ:২৩৩)
.
১৭. কোরআন শরীফে তাহরীফ করা হয়েছে ।
যেমন:– কোরআনের মোট আয়াত ১৭,০০০ (সতর হাজার ), তা থেকে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনার খিলাফত ও আহলে বায়তে রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কিত ১০,৩৩৪ (দশ হাজার তিনশত চৌত্রিশ) আয়াত বাদ দেয়া হয়েছে ।
৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি ) আয়াত কেই শুধু কোরআন মান্যকারী মিথ্যাবাদী ।
নাউজুবিল্লাহ (ইরানী ইনকিলাব,পৃ:২৫৯ এবং ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব,পৃ:৫৪,৫৫)
.
১৮.মোতা,বা সাময়িক বিয়ে বৈধ; বরং সওয়াবের কাজ ।
অর্থাৎ একজন মুসলমান পুরুষ ও নারী অর্থের বিনিময়ে কিছুক্ষণ যৌনসঙ্গম করতে পারবে ।
(ইসলাম ও খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৩৮)
.
১৯. 'তাকীয়া' অর্থাৎ আসল বিষয়কে গোপন করে , মুখে ভিন্ন ধরনের মত প্রকাশ করা জায়েয এবং "তা বার রা" অর্থাৎ শিয়া নয় এমন সব মুসলমানদের মনে প্রাণে ঘৃণা করা । (ইসলাম ও খামেনী মাযহাব পৃ :৪৩৭,৪৩৮
.
.ফেইসবুকে আমি
বি দ্রঃ সকল সুন্নী মুসলমান ভাইদের ঈমান হেফাজতের লক্ষ্যে
#শেয়ার করার অনুরোধ রইল