হেড লাইন

★রসূলুল্লাহ্ ص صلي الله عليه وسلم এরশাদ করেনঃ তোমরা আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। নিশ্চয় তোমরা যেখানেই থাক না কেন তোমাদের দরূদ আমার নিকট পৌঁছে থাকে।
Showing posts with label শানে মোস্তফা দঃ. Show all posts
Showing posts with label শানে মোস্তফা দঃ. Show all posts

September 19, 2017

তরজুমান মাহে জমাদিউল আউয়াল ২০০৭

মাসিক তরজুমান মাহে জমাদিউল আউয়াল ১৪২৮ হিজরী ২০০৭ মে জুন
খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় আছে এই কপি তে








September 13, 2017

বই নযরে শরীয়ত

আসসালামু আলাইকুম
অসাধারণ আকিদা ভিত্তিক বই
বইঃ নযরে শরীয়ত
প্রকাশনায়ঃ আনজুমান—এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ট্রাস্ট

ডাউনলোড করুন👈👈👉👉ডাউনলোড করুন
নযরে শরীয়ত
সুচী 

আমাদের নবী দঃ ওনার ছায়া ছিলো না

আমাদের নবী রসূলে আরবী সকল নবীর সেরা নবী উভয় জগতের নবী কাউছারের মালিক নবী হায়াতুন্নবী উম্মতের কান্ডারী নবী  হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার যে কোন ছায়া মোবারক ছিল না--
Subhan Allah kiya nam hai name Muhammad S:


সুবহানআল্লাহ .নিম্নে তার দলীল পেশ করা হলো----........
১. মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি জামিউল ওসায়েল ফি শরহে শামায়েল কিতাবের ২১৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন যে, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক ছিলনা।
যেমন হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে-
وفى حديث ابن عباس قال لم يكن لرسول الله صلى الله عليه وسلم ظل ولم يقم مع الشمس قط الا غلب ضوءه ضوء الشمس ولم يقم مع سراج قط الا غلب ضوءه ضوء السراج.
অর্থঃ-“হযরত ইবনে আব্বাস রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার কোন ছায়া মোবারক ছিল না। এবং সূর্যের আলোতে কখনও তাঁর ছায়া পড়তোনা। আরো বর্ণিত আছে-
উনারআলো সূর্যের আলোকে অতিক্রম করে যেত। আর বাতির আলোতেও কখনো তাঁর ছায়া মোবারক পড়তোনা। কেননা তাঁর আলো বাতির আলোকে ছাড়িয়ে যেতো।”
২.
আল্লামা শায়েখ ইব্রাহীম বেজরী রহমতুল্লাহি আল মাওয়াহেবুল লাদুন্নিয়া আলা শামায়েলে মুহম্মদিয়ার ১০৫ পৃষ্ঠায় হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার নূরের দেহ মোবারক সূর্যের আলোর চেয়েও অধিক মর্যাদা সম্পন্ন তা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন-
وفى حديث ابن عباس لم يكن لرسول الله صلى الله عليه وسلم ظل ولم يقع مع الشمس قط الا غلب ضوءه ضوءها ولم يقع مع سراج قط الا علب ضوءه ضوءه.
অর্থঃ- “হযরত ইবনে আব্বাস রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত আছে তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক ছিলনা এবং সূর্যের আলোতেও কখনই তাঁর ছায়া মোবারক পড়তো না। কেননা তাঁর নূরের আলো সূর্যের আলোকেও অতিক্রম করে যেতো। আর বাতির আলোতেও কখনই তাঁর ছায়া মোবারক পড়তো না কেননা তাঁর আলো বাতির আলোর উপরেও প্রাধান্য লাভ করতো।”
৩.
হযরত জালালুদ্দীন সুয়ুতী রহমতুল্লাহি তার খাছায়েছুল কুবরা নামক কিতাবে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার কোন ছায়া ছিলনা।
যেমন হাদীস শরীফে উনারশাদ হয়েছে-
اخرج الحكيم الترمذى عن ذكوان فى نوادر الاصول ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يرى له ظل فى شمس ولا قمر.
অর্থঃ- হাকীম তিরমীযী ফি নাওয়াদিরিল উসূল কিতাবে জাকওয়ান থেকে বর্ননা করেন- “নিশ্চয়ই সূর্য ও চাঁদের আলোতেও রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক দেখা যেতো না।”
৪.
হযরত আল্লামা ইবনে সাবাহ রহমতুল্লাহি শেফাউস সুদুরে বলেন, “হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার বৈশিষ্ট সমূহ থেকে ইহাও একটি বৈশিষ্ট্য যে, উনারছায়া ছিলনা।” যেমন তিনি বলেন-
ان ظله كان لا يقع على الارض لانه كان نورا فكان اذا مشى فى الشمس اوالقمر لا ينظر له ظل.
অর্থঃ- “নিশ্চয়ই হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম-উনার ছায়া মোবারক ষমিনে পড়তো না কেননা তিনি ছিলেন নূর। অতঃপর যখন তিনি সূর্য অথবা চাঁদের আলোতে হাঁটতেন তখন তাঁর ছায়া মোবারক দৃষ্টিগোচর হতোনা।
৫.
আল্লামা সোলায়মান জামাল রহমতুল্লাহি তার ফতুহাতে আহমাদিয়া শরহে হামজিয়া কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে,
لم يكن له صلى الله تعالى عليه وسلم ظل يظهر فى شمس ولا قمر.
অর্থঃ- “হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক ছিলনা। এমনকি চাঁদ ও সূর্যের আলোতেও তাঁর ছায়া মোবারক প্রকাশ পেতো না।

হযরত আল্লামা হুসাইন ইবনে মুহম্মদ দিয়ারে বেকরী রহমতুল্লাহি তাঁর খামীছ ফি আহওয়ালে আনফুসে নাফীস নামক কিতাবে বর্ণনা করেন-
لم يقع ظله صلى الله تعالى عليه وسلم على الاض ولايرى له ظل فى شمس ولا قمر.
অর্থঃ- “হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক জমিনে পড়তো না এবং চাঁদ ও সূর্যের আলোতেও তাঁর ছায়া মোবারক দেখা যেতো না।”

হযরত আল্লামা সাইয়্যিদ যুরকানী রহমতুল্লাহি তাঁর শরহে মাওয়াহেবুল লাদুন্নীয়া শরীফে বর্ণনা করেছেন-
لم يكن له صلى الله عليه وسلم ظل فى شمس ولاقمر لانه كان نورا-
অর্থঃ- “চাঁদ ও সূর্যের আলোতেও হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার ছায়া মোবারক ছিল না। কেননা তিনি নূর ছিলেন।” (আর নূরের কোন ছায়া নেই) (সুবহানআল্লাহ)
ভালো লাগলে পোস্টি শেয়ার করুন

September 05, 2017

রসূলুল্লাহ দঃ ’র ইশারায় দুই টুকরো হয়েছিল চাঁদ, দেখেছিলেন ভারতীয় রাজাও

বিশ্বনবী (সা.)’র ইশারায় দুই টুকরো হয়েছিল চাঁদ, দেখেছিলেন ভারতীয় রাজাও

চাঁদ দুই টুকরো হওয়ার সাক্ষী রাজা চেরামানের নামে ভারতের কেরালা রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ। কারো কারো মতে এটাই ছিল ভারতের প্রথম বা সবচেয়ে পুরনো মসজিদ
১৪৪২ চন্দ্রবছরেরও আগে ১৪ই জিলহজ নূরনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)’র মোজেযার প্রকাশ হিসেবে তাঁর আঙ্গুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল।

আবু জাহলের নেতৃত্বে একদল মূর্তিপূজারী ও ইহুদি  জানায় যে, মুহাম্মাদ (সা.) যে আল্লাহর রাসূল তা তারা মেনে নেবে যদি তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখাতে পারেন। তখন রাসূল (সা.) আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙ্গুলের ইশারা করলে ওই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে।

এই প্রসঙ্গে হাদিস শরীফ➡
আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ও খালীফা (রঃ)…… আনাস (ইবনে মালিক) (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, মক্কাবাসী কাফিররা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট মুজিযা দেখানোর জন্য দাবী জানালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করে দেখালেন। (সহীহ বুখারী শরীফঃ- ৩৩৭৬, খণ্ডঃ-০৬)

পবিত্র কুরআনের সুরা আল-কামারের প্রথম দুই আয়াতে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে:  "কিয়ামত আসন্ন এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। তারা কোনো নিদর্শন সরাসরি দেখলেও মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, ‘এতো চিরাচরিত জাদু’। "

ওই আরব মুশরিকরা এই মোজেজা অস্বীকার করে একে জাদু বলে অভিহিত করে। কিন্তু  উপস্থিত ইহুদিরা চাঁদ দুই ভাগ হওয়ার ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। কারণ, ওই ইহুদিরা তাওরাতে পড়েছিল যে হযরত মূসা (আ.)’র উত্তরসূরি হযরত ইউশা (আ.)’র জন্য মহান আল্লাহ চাঁদ ও সূর্যকে স্থির করে রেখেছিলেন।

রাসূল (সা.) চাঁদকে এত স্পষ্টভাবে দুই টুকরা করেন যে ওই দুই টুকরার ব্যবধানের মধ্যে হেরা পর্বত দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আবু জাহল বলে ওঠে, “তিনি নজরবন্দি করেছেন। যেসব লোক বিদেশে গেছে তারা ফিরে এসে সমর্থন জানালে তখন বুঝব।” বিদেশ থেকে আসা লোকেরা দেশে ফিরে এসে এ ঘটনার সত্যতাকে সমর্থন করলেও আবু জাহল বলে, “ তিনি গোটা পৃথিবীর সব লোককে নজরবন্দী করেছেন।"

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মালাবার রাজ্যের (বর্তমান কেরালা অঞ্চল) ততকালীন রাজা চক্রবর্তী ফারমাস (চেরামান পিরুমেল) আকাশে চাঁদ দুই টুকরো হয়ে যাওয়ার ওই অলৌকিক ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। যখন তিনি জানতে পারেন যে আরব দেশে শেষ নবীর আবির্ভাব ঘটেছে ও রাসূল (সা.)ই চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করেছেন, তখন তিনি মক্কায় গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে।  চেরামানের নামে ভারতের কেরালা রাজ্যে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।



মার্কিন মহাশূন্য গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের মাধ্যমে তোলা ছবিতেও চাঁদের মধ্যে গভীর ফাটলের চিহ্ন বা দাগ দেখা গেছে এবং এ থেকে স্পষ্ট হয়, কোনো এক সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল।

ভারতীয় রাজা যে ওই  ঘটনা দেখেছিলেন তার লিখিত বিবরণের একটি প্রাচীন দলিল বর্তমানে লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে। ওই দলিলে ভারতীয় সেই রাজার ভ্রমণের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ওই রাজা ভারতে ফেরার পথে ইয়েমেনে মারা যান।

হযরত মুসা (আ.)'র খোদায়ী লাঠির আঘাতে নীল দরিয়া দু-ভাগ হয়ে মাঝখানে শুকনো পথ বের হয়েছিল এবং ডুবে মরেছিল ফেরাউন ও তার সেনারা। অন্যদিকে বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও মহামানব হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কোনো লাঠি ছাড়াই বহু দূরের চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করেন মহান আল্লাহর দেয়া ক্ষমতাবলে।
সোবহান আল্লাহ
সূত্রঃ উইকিপিডিয়া