হেড লাইন

★রসূলুল্লাহ্ ص صلي الله عليه وسلم এরশাদ করেনঃ তোমরা আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। নিশ্চয় তোমরা যেখানেই থাক না কেন তোমাদের দরূদ আমার নিকট পৌঁছে থাকে।
Showing posts with label বাতিল ফেরকা. Show all posts
Showing posts with label বাতিল ফেরকা. Show all posts

September 18, 2017

বই যলযল

ওহাবী দেওবন্দীদের খন্ডন খুবই গগুরুত্বপূর্ণ বই
বইঃ যলযলা

লেখকঃ আল্লামা আরশাদুল কাদেরী

বই যলযলা

বই যলযলা সূচী পত্র

August 23, 2017

ফির্কা     সৃষ্টির   ভবিষ্যৎদ্বানী ও ফির্কা সৃষ্টির ইতি কথা

নাহমাদুহু ওয়া নুছাল্লী আলা রাছুলিহিল কারীম
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

শিয়া পরিচিতি
================================
ফির্কা     সৃষ্টির   ভবিষ্যৎদ্বানী:    (হাদীস)    -   নবী     করিম সাল্লাল্লাহু   আলাইহি   ওয়া   সাল্লাম   ইরশাদ    করেছেন-  ”আমার  উম্মত  অচিরেই তিয়াত্তর  ফির্কায়   বিভক্ত হয়ে যাবে - তন্মধ্যে একটি ছাড়া বাকী বাহাত্তরটি জাহান্নামী হবে”। উক্ত বাহাত্তরের মধ্যে শিয়া ফির্কা একটি। শিয়া ফির্কা পূন: ৬৩ টি উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

ফির্কা সৃষ্টির ইতিকথা
================================
ভূমিকা:   ইসলামে  বিভিন্ন    ফির্কার  সৃষ্টি  হয়  খিলাফতে রাশেদা        যুগের        শেষের         দিকে।         ত্রিশ         বৎসর খিলাফতকালের মধ্যে প্রথম  পঁচিশ বৎসর পর্যন্ত  কোন ফির্কার    অস্তিত্ব    ছিলনা।     হযরত   ওসমান   রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু      শহীদ    হওয়ার     সাথে    সাথেই    সলামী    রাষ্টে মুসলমানদের মধ্যে ভূল বুঝাবুঝি ওঅনৈক্য মাথা চাড়া দিয়ে উঠে।  হযরত ওসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর  ১২ বৎসর খিলাফতের   শেষ ছয় বৎসরে  জনৈক  ইয়াহুদী   গুপ্তচর   মুসলমান    সেজে   হযরত    ওসমান   রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু   এর  খিলাফতের  বিরুদ্ধে  লোকদেরকে   উস্কানী দিতে  থাকে।   তার নাম  আবদুল্লাহ ইবনে    সাবা। তার দেশ   ইয়েমেন।  সানা    শহরে   ছিল  তার  আবাসভূমি।   ইসলামী   রাষ্ট্র   তখন    আরব     ভূখন্ড    ছেড়ে   আফ্রিকা,  ইউরোপের    সাইপ্রাস,     এশিয়া     মহাদেশের    পারশ্য,  এশিয়া   মাইনর   ও   চীন     সীমান্ত   পর্যন্ত     এবং    দক্ষিন   এশিয়ায়  বর্তমান  পাকিস্তান   সীমান্ত পর্যন্ত  বিস্তৃত  ছিল। আরবের  চেয়ে অনারব মুসলমানের সংখ্যা ছিল বেশী। আবদুল্লাহ  ইবনে সাবা মিশর, ইয়েমেন, কুফা,   বসরা, খোরাসান-    প্রভৃতি  অঞ্চলে ব্যাপক সফর করে  বক্তৃতা ও    বিবৃতির   মাধ্যমে   হযরত     ওসমানের     খিলাফতের বিরুদ্ধে  লোকদেরকে উত্তেজিত করে তোলে। শুরু হয়  ভূল     বুঝাবুঝির।     মাথা     চাড়া     দিয়ে     উঠতে     থাকে  বিদ্রোহ।    এভাবে   মুনাফিক    আবদুল্লাহ   ইবনে   সাবার প্রথম       পরিকল্পনা       সফল       হলো।       দুর্বল       চিত্তের  মুসলমানদের      মধ্যে     বিচ্ছিন্নতা     সৃষ্টির     প্রথম     বীজ  এভাবেই     বপন    করতে    সক্ষম      হয়েছিলো     ইয়াহুদী মুনাফিক আবদুল্লাহ ইবনে সাবা। কিন্তু সে রইলো ধরা- ছোঁয়ার   বাইরে।    যেমনটি     ঘটছে   বর্তমানে     -   ইহুদি  নাসারা   ষড়যন্ত্রের  বেলায়।  তারা   মুসলমানদের   মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে কলকাঠি নাড়ে।

হযরত ওসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর শাহাদাতের পর খলিফা  নিযুক্ত  হন    হযরত     আলী   রাদ্বিয়াল্লাহু  আনহু। হযরত  আলী   (কাররামাল্লাহু  ওয়াজহাহু)  -এর   ক্ষমতা সুসংহত   হওয়ার    পূর্বেই    হযরত   ওসমান   রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাতের বিচার অনুষ্ঠানের দাবী  তোলা হয় এবং উক্ত বিচার হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি আনুগত্য স্বীকারের পূর্বশর্ত হিসাবে আরোপ করা হয়।  আবদুল্লাহ       ইবনে    সাবা    এ     দাবীর    পেছনে      ইন্দন জোগাতে   শুরু  করলো।  কিন্তু   প্রকাশ্যভাবে   মুনাফিক্বী চাল    এঁটে   সে    হযরত    আলী   রাদ্বিয়াল্লাহু   আনহু   এর আস্থাভাজন   হওয়ার    চেষ্টা     করলো।   এঅবস্থায়    ঘটে  গেলো   দু:খজনক   দুটি   ঘটনা।   একটি   হলো   -   জঙ্গে  জামাল    বা উষ্ট্রের   যুদ্ধ। দ্বিতীয়টি হলো জঙ্গে সিফফিন বা সিফফীনের যুদ্ধ।  প্রথমটির নেতৃত্ব দেন মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এবং  দ্বিতীয়টির নেতৃত্ব  দেন হযরত মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। এই দুই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে দুই   বাতিল ফির্কার সূচনা  হলো।   একটির   নাম ”শিয়া ফির্কা”; দ্বিতীয়টির নাম   ”খারিজী   ফির্কা”।  শিয়া  ফির্কা হলো   হযরত  আলীর  পক্ষে   এবং   খারিজীরা  বিপক্ষে। তারা  এমন    সব  জঘন্য   আক্বীদার  সৃষ্টি   করলো-  যার কোন   ভিত্তি   ইসলামে   খুঁজে   পাওয়া   যায়না।   খারিজী ফির্কার     প্রথম     প্রতারণামূলক     শ্লোগান     ছিল     পবিত্র  কোরআনের     একটি    পবিত্র     বাণী    ”ইনিল    হুকমুইল্লা লিল্লাহ”    অর্থাৎ     আল্লাহর     হুকুমত     ছাড়া     অন্যকোন হুকুমত আমরা মানিনা”।

আল্লাহর   কালামের     মনগড়া   ব্যাখ্যা   করে    খারিজীরা হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফতকে অস্বীকার করে   বসলো।  এই  খারিজী     দল   যুগে   যুগে  ইসলামী রাষ্ট্রে   বহু    ফিতনা   সৃষ্টি   করেছে।    এই    দলেই   পয়দা হয়েছে   ইবনে   তাইমিয়া   ও   মুহাম্মাদ   ইবনে   আবদুল  ওহাব    নজদী     (শামী,    তারিখে    নজদ     ও     হিজায)।  বর্তমানকালে  আবুল  আ'লা    মউদুদীকেও   নব্যখারিজী ফির্কা  বলে অভিহিত করেছেন দেওবন্দী উলামাগনসহ সর্বস্তরের উলামা মাশায়িখগণ। বিস্তারিত বিবরণ শর্ষিনা থেকে   প্রকাশিত   ”মউদুদী   জামাতের  স্বরূপ”  (১৯৬৬ ইং) পুস্তকে দেখা যেতে পারে।

শিয়া     ফির্কা     প্রথমদিকে      কেবলমাত্র     হযরত      আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্বপক্ষের  লোকদেরকেই বলা হত। তাঁদেরকে  বলা    হতো  শিয়া  মুখলিসীন।  এদের  মধ্যে সাহাবায়ে  কেরামগণও   ছিলেন।  তাঁদের   কোন   পৃথক আক্বীদা  ছিলনা।  পরবর্তীতে হযরত   আলী  রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর   যামানাতেই  শিয়াদের  আরেকটি  শাখার   সৃষ্টি হলো। এদেরকে বলা হতো তাফলিদিয়া শিয়া বা অন্য সাহাবীগণের উপর হযরত আলী রদ্বিল্লাহু আনহু শ্রেষ্ঠত্ব আরোপকারী    শিয়া।  এরপর  সৃষ্টি  হলো  তৃতীয়  শিয়া   ফির্কা। এদের নাম হলো ”ছাব্বাইয়া” ও ”তাবাররাইয়া” -    যারা অন্য  সাহাবীগণকে গালিগালাজ  করতো। এই দলের  নেতাসেজে  বসলো  ইহুদি  মুনাফিক্ব  আবদুল্লাহ  ইবনে সাবা।   এরপর সৃষ্টি হলো শিয়াদের  চতুর্থ ফির্কা ”ঘালী শিয়া” বা চরম পন্থী শিয়া।

এই    ঘালী    বা    চরমপন্থী      শিয়া     পরবর্তীতে    ৬৩    টি উপ-শাখায়   বিভক্ত   হয়েছে।   এদের   মধ্যে   ইমামিয়া,  ইসমাঈলীয়া, ইসনা আশারিয়া ও কারামাতা শিয়াগণই বেশী পরিচিত ও জঘন্য আক্বীদায় বিশ্বাসী।

(সূত্রঃ          আল-মিনহাতুল          ইলাহিয়া          -          তালখিছু  তারজামাতুত    তুহফাতিল    ইসনা    আশারিয়া    -    কৃত,  আল্লামা    সাইয়্যিদ    মাহমুদ    শিকরী    ইবনে    সাইয়্যিদ  আবদুল্লাহ  হুসাইনী  আলূসী  বাগদাদী  ইবনে  সাইয়্যিদ  মাহমুদ   আলূসী  বাগদাদী,   প্রণেতা    -তাফসীরে  রুহুল মা'আনী।    আল-    মিনহাতুল    ইলাহিয়া    আরবী    গ্রন্থটি  অবলম্বন করেই শিয়া  পরিচিতি রচনাকরা হলো।  (মূল কিতাব হলো ”তোহফায়ে ইসনা আশারিয়া”)।


August 03, 2017

আহলে হাদিস নামধারী আহলে খবিশদের ধোলাই করলেন মুফতী মাওলানা বক্তিয়ার উদ্দিন আল কাদেরী

আহলে হাদিস নামধারী আহলে খবিশদের ধোলাই করলেন মুফতী মাওলানা বক্তিয়ার উদ্দিন আল কাদেরী মাঃ জিঃ আঃ খতীব গউছুল আযম জামে মসজিদ ঢাকা

শিয়াবাদ থেকে সাবধান হওয়ার আহবান ওলামায়ে আহলে সুন্নাতের

আসসালামু আলাইকুম
বর্তমান সময়ে ইসলামের নামধারী অনেক দল বাহির হয়েছে, কিছু দল আছে নাম বদল করে বিভিন্ন ভন্ড পথভ্রষ্ট আকিদার প্রচার করছে, তার মাঝে অন্যতম একটি মতবাদ শিয়াবাদ যারা সরাসরি সাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা ওনাদের সম্পর্কে ভ্রন্ত মনগড়া কথা বলে জঘন্ন ভাবে বেয়াদবী করছে ।
টাকার বিনিময়ে ইমান বিক্রি বন্ধ করুন ৷
যারা টাকা বিলাচ্ছে তারা সুন্নিয়তের কেউ নয় ৷
আহলে বায়তকে ভালোবাসার অর্থ এই নয় যে,সাহাবায়ে কিরামকে গালিগালাজ করতে হবে ৷ অতএব সতর্ক হোন ৷
কাজেই এইসব ভন্ড  পথভ্রষ্ট শিয়াদের থেকে সাবধান হওয়ার আহবান ওলামায়ে আহলে সুন্নাত মাওলানা সৈয়দ আবু নওশাদ নঈমী

September 19, 2016

শিয়াদের জঘন্য আক্বিদা সমূহ

শিয়াগণ যদিও রাজনৈতিক সম্প্রদায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ; কিন্তু পরবর্তীকালে তারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে কতিপয় মতবাদ তৈরী করেছে।
যেগুলোর সাথে সুন্নী মতবাদ সমূহ সাংঘর্ষিক ।
তা নিম্নরূপ:
১. শিয়ারা কালেমায়ে তাইয়্যেবা لا اله الا الله محمد رسول الله এর সাথে و على خليفة الله বৃদ্ধি করে থাকে, (শিয়া–সুন্নী ইখতেলাফ , পৃ:১৬ এবং মুসলিম সংস্কৃতির ইতিহাস, পৃ:৩২
.
২. শিয়াদের মতে ,ইমামত ঈমানের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত ।
.
৩.শিয়াদের মতে,ইমামত হযরত মুহাম্মদ এর বংশধরদের জন্মগত অধিকার ।
যেহেতু তার কোন যুবক পুত্র দিলো না, সেহেতু হযরত আলী ও হযরত ফাতেমার বংশধরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
.
৪. মহান বীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ইন্তেকালের পর যারা খলিফা হয়েছিলেন তারা হযরত আলীকে ন্যায় সংগত অধিকার হতে বন্ঞ্চিত রেখেছেন এবং তারা জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলকারী ছিলেন।
ফলে তাঁরা কাফির ও মুরতাদ হয়ে গেছেন । ( নাউজুবিল্লাহ) ( শিয়া-সুন্নী ইখতেলাফ, পৃ:১২)
.
৫. শিয়া মতানুসারে ইমাম জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচিত হতে পারে না।
কারণ জনগনের নির্বাচিত ক্রটিযুক্ত ।
তাই ইমাম আল্লাহ তা,য়ালা কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং তিনি হবেন নিষ্পাপ ।
তাকে জনগণ কর্তৃক অপসারণ করা যাবে না ।
.
৬. শিয়াগণ মনে করে , মানুষ ও আল্লাহর মাঝে মধ্যস্থতাকারী হলেন ইমাম ।
তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত ।
.
৭.ইমাম শুধু ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক নেতাই নন পার্থিব নেতাও বটে ।
চরমপন্থী শিয়ারা ইমামকে আল্লাহ পাকের প্রতিনিধি হিসেবে মনে করে ।
.
৮. শিয়াগণ হযরত আবু বকর, হযরত ওমর ও হযরত ওসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-ওনাদের খিলাফতকে অস্বীকার করে।
এমনকি তারা উমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফতকে অস্বীকার করে।
হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ) ওনাকে বঞ্চিত করায় তারা যালিম , মুনাফিক ও জাহান্নামী-(নাউজুবিল্লাহ) ।
(ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৮)
.
৯.শিয়াদের আক্বিদা হল, হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রূহানী শক্তি প্রাপ্ত এবং হযরত আলীর শরীরে আল্লাহর পবিত্র গৌরবের রশ্মি নিপতিত হয়েছিল।
হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ওনার বংশধরদের মধ্যেও এই খোদায়ী নূর সংক্রমিত হয়েছে ।
সুতরাং তারা পাপ বা ভুল করতে পারেন না।
.
১০. শিয়াদের মতে,ইমাম অবিভাজ্য এবং একই সময়ে দুইজন ইমাম এর যুগপৎ আর্বিভাব অসম্ভব।
.
১১. শিয়াগণ হযরত আলীর মুহাব্বতে অতিরঞ্জন করে বলত যে, প্রকৃতপক্ষে ওহী নাযিল হয়েছিল হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ,র প্রতি ; কিন্তু জিব্রাঈল (আ:) ভুল করে হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার নিকট নিয়ে গেছেন ।
.
১২. শিয়ারা কোরআনের চিরন্তনতা ও অবিনশ্বর স্বীকার করে না।
তারা বলে কোরআন সৃষ্ট ও নশ্বর।
.
১৩. দ্বাদশ পন্থী শিয়াদের মতে, তাদের দ্বাদশ পন্থী ইমাম মুহাম্মাদ আল মুন্তাযির কিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদী হিসেবে আবির্ভূত হবেন ।
আবার এক শ্রেণীর শিয়ার বিশ্বাস হচ্ছে, হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)'র পুত্র মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ আল্লাহর হুকুমে আত্মগোপন করে আছেন , এক সময় তিনি ইমাম মাহদী রূপে পুনরায় আগমন করবেন।
.
১৪. শিয়াদের মতে , পবিত্র কোরআন ও হাদিস ইসলামী জ্ঞানের উৎস ।
কাজেই ইজমা ও কিয়াসের কোন প্রয়োজন নেই।
.
১৫. শিয়াগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস , ইবনে ওমর , হযরত আয়েশা (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনাদের হাদিস মানে না।
কারণ তারা নাকি হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)ওনার ব্যাপারে হুজুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার অন্তিম উপদেশ গোপন করেছেন ।
.
১৬. শিয়াদের একটি বিরাট অংশ বিশেষ করে ইসমাইলিয়ারা বিশ্বাস করে যে,ইমাম ইসমাঈল আখেরী নবী । ( মুসলিম সংস্কৃতি ইতিহাস , পৃ:২৩৩)
.
১৭. কোরআন শরীফে তাহরীফ করা হয়েছে ।
যেমন:– কোরআনের মোট আয়াত ১৭,০০০ (সতর হাজার ), তা থেকে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনার খিলাফত ও আহলে বায়তে রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কিত ১০,৩৩৪ (দশ হাজার তিনশত চৌত্রিশ) আয়াত বাদ দেয়া হয়েছে ।
৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি ) আয়াত কেই শুধু কোরআন মান্যকারী মিথ্যাবাদী ।
নাউজুবিল্লাহ (ইরানী ইনকিলাব,পৃ:২৫৯ এবং ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব,পৃ:৫৪,৫৫)
.
১৮.মোতা,বা সাময়িক বিয়ে বৈধ; বরং সওয়াবের কাজ ।
অর্থাৎ একজন মুসলমান পুরুষ ও নারী অর্থের বিনিময়ে কিছুক্ষণ যৌনসঙ্গম করতে পারবে ।
(ইসলাম ও খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৩৮)
.
১৯. 'তাকীয়া' অর্থাৎ আসল বিষয়কে গোপন করে , মুখে ভিন্ন ধরনের মত প্রকাশ করা জায়েয এবং "তা বার রা" অর্থাৎ শিয়া নয় এমন সব মুসলমানদের মনে প্রাণে ঘৃণা করা । (ইসলাম ও খামেনী মাযহাব পৃ :৪৩৭,৪৩৮
.
.ফেইসবুকে আমি
বি দ্রঃ সকল সুন্নী মুসলমান ভাইদের ঈমান হেফাজতের লক্ষ্যে
#শেয়ার করার অনুরোধ রইল