আকিদা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আকিদা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শিয়াদের জঘন্য আক্বিদা সমূহ

শিয়াগণ যদিও রাজনৈতিক সম্প্রদায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ; কিন্তু পরবর্তীকালে তারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে কতিপয় মতবাদ তৈরী করেছে।
যেগুলোর সাথে সুন্নী মতবাদ সমূহ সাংঘর্ষিক ।
তা নিম্নরূপ:
১. শিয়ারা কালেমায়ে তাইয়্যেবা لا اله الا الله محمد رسول الله এর সাথে و على خليفة الله বৃদ্ধি করে থাকে, (শিয়া–সুন্নী ইখতেলাফ , পৃ:১৬ এবং মুসলিম সংস্কৃতির ইতিহাস, পৃ:৩২
.
২. শিয়াদের মতে ,ইমামত ঈমানের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত ।
.
৩.শিয়াদের মতে,ইমামত হযরত মুহাম্মদ এর বংশধরদের জন্মগত অধিকার ।
যেহেতু তার কোন যুবক পুত্র দিলো না, সেহেতু হযরত আলী ও হযরত ফাতেমার বংশধরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
.
৪. মহান বীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ইন্তেকালের পর যারা খলিফা হয়েছিলেন তারা হযরত আলীকে ন্যায় সংগত অধিকার হতে বন্ঞ্চিত রেখেছেন এবং তারা জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলকারী ছিলেন।
ফলে তাঁরা কাফির ও মুরতাদ হয়ে গেছেন । ( নাউজুবিল্লাহ) ( শিয়া-সুন্নী ইখতেলাফ, পৃ:১২)
.
৫. শিয়া মতানুসারে ইমাম জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচিত হতে পারে না।
কারণ জনগনের নির্বাচিত ক্রটিযুক্ত ।
তাই ইমাম আল্লাহ তা,য়ালা কর্তৃক মনোনীত হবেন এবং তিনি হবেন নিষ্পাপ ।
তাকে জনগণ কর্তৃক অপসারণ করা যাবে না ।
.
৬. শিয়াগণ মনে করে , মানুষ ও আল্লাহর মাঝে মধ্যস্থতাকারী হলেন ইমাম ।
তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত ।
.
৭.ইমাম শুধু ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক নেতাই নন পার্থিব নেতাও বটে ।
চরমপন্থী শিয়ারা ইমামকে আল্লাহ পাকের প্রতিনিধি হিসেবে মনে করে ।
.
৮. শিয়াগণ হযরত আবু বকর, হযরত ওমর ও হযরত ওসমান (রাদ্বীয়াল্লাহু আনহু)-ওনাদের খিলাফতকে অস্বীকার করে।
এমনকি তারা উমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফতকে অস্বীকার করে।
হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ) ওনাকে বঞ্চিত করায় তারা যালিম , মুনাফিক ও জাহান্নামী-(নাউজুবিল্লাহ) ।
(ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৮)
.
৯.শিয়াদের আক্বিদা হল, হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রূহানী শক্তি প্রাপ্ত এবং হযরত আলীর শরীরে আল্লাহর পবিত্র গৌরবের রশ্মি নিপতিত হয়েছিল।
হযরত আলী রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ওনার বংশধরদের মধ্যেও এই খোদায়ী নূর সংক্রমিত হয়েছে ।
সুতরাং তারা পাপ বা ভুল করতে পারেন না।
.
১০. শিয়াদের মতে,ইমাম অবিভাজ্য এবং একই সময়ে দুইজন ইমাম এর যুগপৎ আর্বিভাব অসম্ভব।
.
১১. শিয়াগণ হযরত আলীর মুহাব্বতে অতিরঞ্জন করে বলত যে, প্রকৃতপক্ষে ওহী নাযিল হয়েছিল হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ,র প্রতি ; কিন্তু জিব্রাঈল (আ:) ভুল করে হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার নিকট নিয়ে গেছেন ।
.
১২. শিয়ারা কোরআনের চিরন্তনতা ও অবিনশ্বর স্বীকার করে না।
তারা বলে কোরআন সৃষ্ট ও নশ্বর।
.
১৩. দ্বাদশ পন্থী শিয়াদের মতে, তাদের দ্বাদশ পন্থী ইমাম মুহাম্মাদ আল মুন্তাযির কিয়ামতের পূর্বে ইমাম মাহদী হিসেবে আবির্ভূত হবেন ।
আবার এক শ্রেণীর শিয়ার বিশ্বাস হচ্ছে, হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)'র পুত্র মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ আল্লাহর হুকুমে আত্মগোপন করে আছেন , এক সময় তিনি ইমাম মাহদী রূপে পুনরায় আগমন করবেন।
.
১৪. শিয়াদের মতে , পবিত্র কোরআন ও হাদিস ইসলামী জ্ঞানের উৎস ।
কাজেই ইজমা ও কিয়াসের কোন প্রয়োজন নেই।
.
১৫. শিয়াগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস , ইবনে ওমর , হযরত আয়েশা (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনাদের হাদিস মানে না।
কারণ তারা নাকি হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু)ওনার ব্যাপারে হুজুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওনার অন্তিম উপদেশ গোপন করেছেন ।
.
১৬. শিয়াদের একটি বিরাট অংশ বিশেষ করে ইসমাইলিয়ারা বিশ্বাস করে যে,ইমাম ইসমাঈল আখেরী নবী । ( মুসলিম সংস্কৃতি ইতিহাস , পৃ:২৩৩)
.
১৭. কোরআন শরীফে তাহরীফ করা হয়েছে ।
যেমন:– কোরআনের মোট আয়াত ১৭,০০০ (সতর হাজার ), তা থেকে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনার খিলাফত ও আহলে বায়তে রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কিত ১০,৩৩৪ (দশ হাজার তিনশত চৌত্রিশ) আয়াত বাদ দেয়া হয়েছে ।
৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি ) আয়াত কেই শুধু কোরআন মান্যকারী মিথ্যাবাদী ।
নাউজুবিল্লাহ (ইরানী ইনকিলাব,পৃ:২৫৯ এবং ইসলাম আওর খামেনী মাযহাব,পৃ:৫৪,৫৫)
.
১৮.মোতা,বা সাময়িক বিয়ে বৈধ; বরং সওয়াবের কাজ ।
অর্থাৎ একজন মুসলমান পুরুষ ও নারী অর্থের বিনিময়ে কিছুক্ষণ যৌনসঙ্গম করতে পারবে ।
(ইসলাম ও খামেনী মাযহাব, পৃ:৪৩৮)
.
১৯. 'তাকীয়া' অর্থাৎ আসল বিষয়কে গোপন করে , মুখে ভিন্ন ধরনের মত প্রকাশ করা জায়েয এবং "তা বার রা" অর্থাৎ শিয়া নয় এমন সব মুসলমানদের মনে প্রাণে ঘৃণা করা । (ইসলাম ও খামেনী মাযহাব পৃ :৪৩৭,৪৩৮
.
.ফেইসবুকে আমি
বি দ্রঃ সকল সুন্নী মুসলমান ভাইদের ঈমান হেফাজতের লক্ষ্যে
#শেয়ার করার অনুরোধ রইল



শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বিভিন্ন ফেরকা বা মতবাদের উৎপত্তি

বিসমিল্লাহর রহমানির রহিম
ইসলামে তৃতীয় খলিফা হযরত সৈয়্যদুনা ওসমান গণি যিননুরাঈন (রাদ্বিয়াল্লাহু তা"য়ালা আনহু) ওনার দীর্ঘ খেলাফতকালে ইসলামের চিরশত্রু ইয়াহুদি - নাসারা ও কাফের চক্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা নামক জনৈক ইয়াহুদী মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য ও দলাদলি সৃষ্টির লক্ষ্যে নামমাত্র ইসলাম গ্রহন করে ।
অতঃপর সে তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ শুরু করে।
অল্প দিনের মধ্যে সে বিভিন্ন স্থানে তার ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে সক্ষম হয় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসলমানদেরকে তার খপ্পরে ফেলতে সামর্থ হয়।
তার অনুসারীগণ প্রথম দিকে 'সাবায়ী' নামে চিহ্নিত হয়।
তারই ষড়যন্ত্রে তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান গণি রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আন হু শাহাদাত বরণ করেন ।
অতঃপর ইসলামের চতুর্থ খলিফা সৈয়্যদুনা মাওলা আলী মুরতাযা (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আন হু) এর খিলাফতকালে হযরত ওসমান গণি রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ওনার শাহাদাত কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার সূচনা হয়।
একদিকে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা চরম আকার ধারণ করে, অন্যদিকে গোপনে গোপনে তৃতীয় অপশক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে সা বার দল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে ।
অবশেষে হযরত আলী ও হযরত আমীরে মোয়াবীয়া( রাদ্বিয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনার মধ্যে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হলে এ অপশক্তি উভয়ের অজ্ঞাতসারে পরিকল্পিত পন্থায় সমঝোতার পথ রুদ্ধ করে দেয়।
তখনও ষড়যন্ত্রকারী শক্তি হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু) ওনার অজ্ঞাতসারে দলেই আত্মগোপন করে অবস্থান করছিল।
অতঃপর হযরত আলী ও হযরত মোয়াবীয়া রাদ্বিয়াল্লাহু তা'য়ালা আনহু এর বিরোধ মীমাংসার পদক্ষেপ হিসেবে দুজন সাহাবী , হযরত আবু মূছা আশআরী ও হযরত আমর ইবনুল আস ( রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) কে সালিশ মনোনীত করা হলে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ) ওনার দলে আত্মগোপনকারী ইবনে সাবার অনুসারীগণ আল্লাহ ছাড়া অপর কাউকে বিচারক মানার অভিযোগে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) কে কাফির ফতোয়া দিয়ে প্রকাশ্যে তাঁর দল থেকে খারিজ বের হয়ে যায়।
ইসলামের ইতিহাসে এরা 'খারেজী '(দল ত্যাগকারী ) হিসেবে পরিচিত ।
এরাই ইসলামের আর্বিভূত প্রথম ভ্রান্ত দল।
ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা সুযোগে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) ওনার প্রতি অতিভক্তি প্রদর্শনকারী আরেকটি দলের সৃষ্টি হয় ।
ইতিহাসে এরা 'শিয়া' নামে পরিচিত ।
খারেজী ও শিয়া উভয়ের আত্মপ্রকাশ প্রথম দিকে রাজনৈতিক কারণে হলেও পরবর্তীতে এরা কোরআন সুন্নাহর পরিপন্থী জঘন্য কুফরী আক্বীদা পোষণ করতে আরম্ভ করে।
কাল ক্রমে , এ দু'দল আরো অনেক উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
এ ছাড়াও পরবর্তীতে অসংখ্য ফিরকায় উদ্ভব হয়েছে ।
এর মধ্যে যে আক্বিদা আমাদের পোষণ করা ফরজ তা ,আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আক্বিদা,