অনুসন্ধান করুন

August 20, 2017

বই তাওহীদ ও শির্ক

বই তাওহীদ ও শির্ক
লেখকঃ আল্লামা সৈয়দ আহমেদ সাঈদ কাজেমী রহঃ
বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ

 👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈




নবী নূর হওয়ার দলিল ভিডিও সহ দেখুন

কারো কাছে যদি মানুষত্ব থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে রসূলে পাক দঃ নুর
নবী করীম দঃ নূর হওয়ার অনেক দলিল দিলেন এই ভিডিওতে কষ্ট করে হলেও ভিডিওটি দেখুন অসংখ্য দলিল সহ

ফেইজবুকে আমি

August 18, 2017

মাসায়েলে কুরবানী ছোট এপসটি ইনস্টল করুন

           আসসালামু আলাইকুম
ইনস্টল করুন
কুরাবানীর মাসায়েল সম্পর্কে খুবই জরুরী অসাধারণ ছোট এপসটি ইনস্টল করুন ।
বিশ্বাস না হয় নিজেই ইস্টল করে দেখুন মাত্র ২.৪১ এমবি
বই: মাসায়েলে কুরবানী
লেখক: মুফতীয়ে বাঙ্গাল গোলাম ছামদানী রেজবী মাঃ জিঃ আঃ
এপ তৈরী করেছেন: . আব্দুল বাতেন মিয়াজী
                       📲 ইনস্টল

August 17, 2017

বেয়াদব চরমুনাই এর মূরীদ কী বলে ভিডিও দেখুন

কত বড় বেয়াদব হলে নবী করীম দঃ ওনার সম্পর্কে এমন ভাবে বলতে পারে !
আমাদের সমাজে পিতা ছাড়া সন্তানকে বলে জারি অর্থাৎ যার জন্মের ঠিক নাই ।
যেই পীরের শাজরার ঠিক নাই সেটা জারজ পীর ।
আমাদের সমাজে কিছু পীর আছে কিছুক্ষণ বলে কাদেরীয়া তরিকার কিছুক্ষণ বলে চিশতিয়া সে নিজেও জানে না কোন তরীকার ।
তার উদাহরণে আমি বলব ২০১৫ সালে চরমুনাইয়ের পীর খাগড়াছড়ি ওয়াজ করতে এসে বলে বেড়ায় খাজা বাবা গান্জ্ঞা বাবা ইত্যাদি ভাষায় গালিগালাজ করে,
যার কারণে অনেক সুন্নী জনতা ক্ষিপ্ত হয় তাদের বিরুদ্ধে কারণ যার জন্য ইসলাম পাইলাম ভারতবর্ষে তাকেই গালিগালাজ !
যাক তারপর ১০১৬ তে এসে বলতেছে তারা চিশতীয়া চরিকার ¡ কী¿ কিছু বলার আছে?
এরপর আরেক বেয়াদব এসে বেয়াদব এসে বেয়াদবী করে গেল........ভিডিও দেখুন নিজ চোখে .....👉
আমাদের খাগড়াছড়িতে একই দিনে দুইটি মাহফিল হয় একটি এই বেয়াদবদের।
আরেকটি মাহফিল খাগড়াছড়ি আনজুমানে আসাদিয়া নূরীয়া সেহাবীয়া , আহলা দরবারের , সুন্নীরা উক্ত মাহফিলে থাকার কারণে এমন বেয়াদবী করে সে পালিয়েছে না হয় তো বুঝেন হোসাইনী সৈনিকরা দুশমনে রসূলের বিরুদ্ধে কতটা কঠোর।

কিভাবে PDF ফাইল তৈরী করবেন

যেভাবে PDF file তৈরী করবেন



August 16, 2017

আহসান হাবীব পেয়ারের ভন্ডামী ফাঁস ভিডিও দেখুন

আসসালামু আলাইকুম
কওমী ওহাবী দওরা সার্টিফিকেট ওয়ালা আহসান হাবীব পেয়ারের গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার পরও দেখা যাচ্ছে তার কিছু অন্ধ ভক্ত তাকে ছাড়তে পারছে না ।
তারা বরং আজও বাজে বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে দয়া করে এই ভিডিও টা দেখুন সাংবাদিকরা কীভাবে তার সকল অপকর্মের মুখোশ উন্মোচন করেন🎬🎬🎬

August 15, 2017

মিলাদুন্নবী দঃ মাহফিল ২০১৬ খাগড়াছড়ি

                 আসসালামু আলাইকুম
মাহফিলে ঈদে মিলাদুন্নবী দঃ ২০১৬
স্থানঃ খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দান
আলোচনায়ঃ মাওলানা সালাহউদ্দিন আল কাদেরী
ব্যবস্থাপনায়ঃ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত খাগড়াছড়ি জেলা

August 14, 2017

এপস শিয়া পরিচিতি

শিয়া পরিচিতিঃ নতুন এপ
=============================
আব্দুল বাতেন মিয়াজী

আলহামদুলিল্লাহ্‌, এই মাত্র রিলিজ করলাম বর্তমান জামানার ব্যাপক আলোচিত ফের্কা শিয়াবাদের পরিচিতির উপর লিখিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বইএর এপ। কিতাবটি লিখেছেন ইমামে আহলে সুন্নাত, মুফতীয়ে আজম বাংলাদেশ, অধ্যক্ষ আল্লামা হাফেয আব্দুল জলিল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।
টেক্সট কম্পোজ করে আমাকে সহায়তা করেছেন আমাদের এক সুন্নি ভাই, মুহাম্মাদ আব্দুল কাদের মাহী। মোবাইল দিয়ে খুব কষ্ট করে উনি পুরো কিতাবটি টাইপ করে দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ পাক আমাদের এই খেদমত কবুল করুন। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগ্রই আসছে হুযুরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কিতাবের এপ, "কালেমার হাক্বিকত"। সেটির টেক্সট কম্পোজ করে দিয়েছেন আমাদের আরেক উদ্যমী সৈনিক মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
নিচের লিংক থেকে এপটি ইন্সটল করতে পারবেন। দয়া করে পোষ্টটি কপি পেস্ট করে আপনাদের নিজ নিজ টাইমলাইনে বেশি বেশি করে রি-পোষ্ট করুন। যত বেশি প্রচার হবে, তত বেশি আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে আর আমাদের এপগুলো সার্চ ইঞ্জিনে উপরে থাকবে।

এপস লিঙ্কঃ      📲.  ইনস্টল

কালেমার হাক্বিক্বত বই এপস

আলহামদুল্লিল্লাহ!
কালেমার হাক্বীক্বত এপ
===============================
আব্দুল বাতেন মিয়াজী

আলহামদুলিল্লাহ্‌, আপনাদের সাথে দেয়া ওয়াদা অনুযায়ী মুফতিয়ে আযম বাংলাদেশ, সুন্নিয়তের সাহসী সৈনিক অধ্যক্ষ হাফেয আব্দুল জলিল রাহমাতুল্লাহি আলাইহির কালজয়ী লেখনি, "কালেমার হাক্বীক্বত" এই মাত্র এন্ড্রয়েড এপ হিসেবে রিলিজ করলাম। আল্লাহ্‌ আমাদের এই খেদমত কবুল করুন আর হুযুরকে এর উছীলায় জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।
বেশি বেশি করে পোষ্টটি কপি পেস্ট করে নিজ নিজ টাইমলাইনে রিপোষ্ট করুন যাতে সবাই জানতে পারে। বাতিলদের কালেমা নিয়ে ছিনিমিনির দাঁতভাঙা জবাব দিতে এই এপটি আপনার অতি প্রয়োজন। জাজাকুমুল্লাহু খাইরান।
এপ লিংকঃ        ইনস্টল করুন

August 12, 2017

কানযুল ইমান ১থেকে ৩০ পারা pdf

Kanzul iman

আসসালামু আলাইকুম
✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴✴
"কানযুল ঈমান" pdf  বাংলা ১ থেকে ৩০ পারা পর্যন্ত প্রতি পারা আলাদা আলাদা করে ডাউনলোড করুন নিচের লিঙ্ক থেকে
 কানযুল ঈমান বাংলা ডাউনলোড করুন 


বই গাউছিয়া তরবিয়তে নেছাব ডাউনলোড করুন

আসসালামু আলাইকুম


ডাউনলোডে সমস্যা হলে Uc Browser ব্যবহার করুন

Facebook.com/Y.BICS





August 10, 2017

বই প্রশ্নাত্তরে আকায়েদ ও মাসায়েল শিক্ষা ডাউনলোড করুন

আসসালামু আলাইকুম
সুন্নী আকিদা পোষণকারীগণের জন্য অতি জরুরী একটি কিতাব।
বই : প্রশ্নাত্তরে আকায়েদ ও মাসায়েল শিক্ষা
লেখক: সৈয়দ ইউসুফ রেফায়ী রহঃ
বঙ্গানুবাদ: অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা এম এ জলিল রহঃ
📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚
👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈

হযরত কেল্লা শাহ রহঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ার খড়মপুরে অবস্থিত হজরত সৈয়দ আহম্মদ (রঃ) এর দরগাহ যা কেল্লা শহীদের দরগাহ নামে সমগ্র দেশে পরিচিত ।
কেল্লা শহীদ রহঃ সর্ম্পকে যে কাহিনী প্রচলিত আছে তা হচ্ছে এই যে,
তৎকালীন বাংলার রাজা ছিলো গৌর গোবিন্দ।
তিনি ছিলেন তান্ত্রিক শক্তিতে বলিয়ান।
রাজা গৌর গোবিন্দের "জীয়ন কূপ" নামে একটা আশ্চর্য জনক কূপ ছিল ।
সেই কূপে মৃত লাশ ফেলে দিলে তা সাথে সাথেই জীবিত হয়ে যেত।
বাবা শাহ্ জালাল ও ৩৬০ আওলিয়ার ইসলাম প্রচারের লক্ষে গৌর গোবিন্দের তুমল যুদ্ধ বাধে,
এই যুদ্ধে গোবিন্দের যে সৈন্য মারা যেত তাকে রাজা জীয়ন কূপে ফেলে আবার জিবিত করে ফেলতেন।
এ ভাবে গৌড় গোবিন্দের সাথে হাজার চেষ্টা করেও যখন বাবা শাহ্ জালাল যুদ্ধে জয় লাভ করতে পারছিলেন না।
তখন তিনি ধ্যানে জানতে পারলেন যে ঐ জিয়ন কূপের শক্তি না নষ্ট করা পর্যন্ত এই যুদ্ধে জয় লাভ সম্ভব না।
তখন তিনি তার ৩৬০ আউলিয়াদের ডেকে জীয়ন কূপ নষ্ট করার জন্য বললে কেউ রাজি হয় নি।
কারন সেই কূপের পাহারায় থাকতো ৪০ জন উলঙ্গ নারী,
ইসলামে অশ্লীলতার নিকট হওয়া হারাম।
যখন শাহ্ জালাল রহঃ খুব চিন্তায় মগ্ন ছিলেন,
তখন শাহ্ জালাল বাবার অনুরাগি ভক্ত গিয়াসু দারাজ শাহ্ জালালের চিন্তা মাখা মুখ সহ্য করতে না পেরে এই কঠোর কাজে রাজি হলেন।
এরপর যখন গিয়াসু দারাজ সেই কূপের সামনে যান তখন ইসলামের মান অক্ষুন রাখতে নিজের ধারালো তরবারি দিয়ে আল্লাহু আকবার বলে এক কোপে নিজের কল্লা কেটে তিতাস নদীতে ফেলে দেন।
কল্লা ছাড়া গিয়াসু দারাজ রহঃ তরবারি হাতে যখনই জিয়ন কূপের সামনে গেলেন তখন বাবার এই ভয়াবহ রূপ দেখে ৪০ জন উলঙ্গ নারী দিক বিদিক হয়ে পালিয়ে যান।
গিয়াসু দারাজ রহঃ তখন এক টুকরা গরুর মাংস ঐ কূপে ফেলে দিলে সাথে সাথে ঐ কূপের সকল ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
এরপর কল্লা ছাড়া কেল্লার শাহ্ রহঃ দেহ
শাহ্ জালাল রহঃ নিকট তার পায়ের সামনে গিয়ে প্রান ত্যাগ করেন।
এরপর হযরত শাহ্ জালাল রহঃ কল্লা শাহ্ রহঃ এর পাক দেহ নিজ হাতে সিলেটে দাফন করেন।
সে সময় খড়মপুরের জেলেরা তিতাস নদীতে মাছ ধরত ।
একদিন চৈতন দাস ও তার সঙ্গীরা উক্ত নদীতে মাছ ধরার সময় হঠাৎ তাদের জালে একটি খন্ডিত শির আটকা পড়ে যায় ।
তখন জেলেরা ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে এবং খন্ডিত শিরটি উঠাতে গেলে আল্লাহর কুদরতে খন্ডিত শির বলতে থাকে ‘‘একজন আস্তিকের সাথে আর একজন নাস্তিকের কখনো মিল হতে পারে না। তোমরা যে পর্যন্ত কলেমা পাঠ করে মুসলমান না হবে ততক্ষণ আমার মস্তক স্পর্শ করবে না ।’’ খন্ডিত মস্তকের এ কথা শুনে মস্তকের কাছ থেকে কলেমা পাঠ করে চৈতন দাস ও সঙ্গীরা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে যায় ।
মস্তকের নির্দেশ মোতাবেক ইসলামী মতে খড়মপুর কবরস্থানে মস্তক দাফন করে । ধর্মান্তরিত জেলেদের নাম হয় শাহবলা, শাহলো, শাহজাদা, শাহগোরা ও শাহর ওশন ।
তাঁরাই এ দরগাহের আদিম বংশধর ।
এই দরগাহের খ্যতি ধীরে ধীরে চর্তুদিঁকে ছড়িয়ে পড়ে ।
এ থেকেই শাহ পীর সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ  কেল্লাশহীদের পবিত্র মাজার শরীফ নামে পরিচিতি লাভ করে ।
২৬০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত দরগা শরীফের জায়গা তৎকালীন আগরতলা রাজ্যের মহারাজা দান করেন ।
বিভিন্ন ঐতিহাসিকগণ অনুমান করেন যে, আওলিয়া হজরত শাহ জালাল (রঃ) এক সঙ্গে সিলেটে যে ৩৬০ জন শিষ্য এসেছিলেন হজরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ ছিলেন তাঁদের অন্যতম ।
তরফ রাজ্যেও রাজা আচক নারায়নের সঙ্গে হজরত শাহজালাল রহঃ ওনার প্রধান সেনাপতি হজরত সৈয়দ নাসিরউদ্দিন রহঃ যে যুদ্ধ পরিচালনা করেন সে যুদ্ধে হজরত সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ রহঃ শহীদ হন এবং তাঁর মস্তক তিতাস নদীর স্রোতে ভেসে আসে।
প্রতি বছর ওরসে কেল্লাশহীদের মাজারে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়।

হযরত মখদুম শাহ্ রহঃ সংক্ষিপ্ত জীবনী

ইয়েমেনের শাহজাদা হযরত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ) ১১৯২-৯৬ সালের মধ্যে ইয়েমেন থেকে ধর্মপ্রচারার্থে যাত্রা শুরু করে বোখারা শহরে আগমন করেন।
বোখারা শহরে হযরত জালাল উদ্দিন বোখারী (রহঃ) এর দরবার শরীফে কিছু সময় অতিবাহিত করে তিনি বাংলার পথে যাত্রা শুরু করে বাংলার শাহজাদপুর অঞ্চলে আসেন।
তিনি বাংলায় প্রবেশ করে ইসলাম প্রচার শুরু করলে তৎকালীন সুবা বিহারের অমুসলিম অধিপতি "রাজা বিক্রম কেশরী" হযরত মখদুম শাহদৌলার আগমনে রাগান্বিত হয়ে তার সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেন।
কিন্তু সৈন্যবাহিনী পরাজিত হয়ে ফিরে যায়। রাজা বিক্রম কেশরী বেশ কয়েকবার সৈন্য প্রেরণ করে পরাজিত হয়, ইতিমধ্যে হযরত মখদুম শাহদৌলা শাহজাদপুরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন।
তার আধ্যাত্মিক শক্তি দ্বারা এই অঞ্চলকে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিণত করেন। শেষ যুদ্ধে হযরত মখদুম শাহদৌলা এবং তার বহু সঙ্গী ও অনুসারী যোদ্ধা শহীদ হন, এই ধর্ম যুদ্ধে তার শহীদ হবার কারণে তিনি হযরত মখদুম শাহদৌলা শহীদ ইয়ামেনী (রহঃ) নামে পরিচিত লাভ করেন।
এবং সাময়িকভাবে এখানে বসবাস করে ইসলাম প্রচারের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। দরগাহপাড়ার এই স্থানটিতেই মখদুম শাহদ্দৌলা (রহঃ) তাঁর অনুচর এবং ওস্তাদ শামসুদ্দিন তাবরেজীকে নিয়ে পাঞ্জেগানা নামাজ আদায় করতেন।
ধীরে ধীরে এখানে গড়ে তোলেন জামে মসজিদ। তখনকার ওই মসজিদটি “মখদুমিয়া জামে মসজিদ” হিসেবেই পরিচিত লাভ করে। আর এই মসজিদকে ঘিরেই ইসলাম প্রচারণা চালাতে থাকেন তখন এই অঞ্চলের সবটুকুই ছিল সুবা বিহারের রাজা বিক্রম কিশোরীর অধীনে।
ইসলাম প্রচারে ঈশান্বিত হয়ে রাজা বিক্রম কিশোরী বাধা প্রদান করতে থাকলে সর্বমোট ৩৩বার মখদুম শাহদ্দৌলা (রহঃ) এর সাথে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
প্রথম দুটি যুদ্ধে বিক্রম কিশোরী পরাজিত হলে প্রতিশোধের নেশায় মরিয়া হয়ে উঠে। পরে গুপ্তচর পাঠিয়ে ওই গুপ্তচর মখদুম শাহদ্দেীলা (রহঃ) এর বিশ্বস্ত সহচরে পরিণত হয়ে একদিন একাকী অবস্থায় আসর নামাজ পড়ার সময় ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে গুপ্তচর দেহ থেকে গর্দান মোবারক বিছিন্ন করে শহীদ করেন।
পরে তাঁর দ্বিখণ্ডিত মাথা সুবা বিহারের রাজা বিক্রম কিশোরীর নিকট নেয়া হলে সেখানেও জবান থেকে সোবহান আল্লাহ ধ্বনি উচ্চারিত হতে থাকে।
এই অলৈাকিক দৃশ্য দেখে সুবা বিহারের রাজাসহ অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। দ্বিখণ্ডিত দেহ মোবারক এই মসজিদের দক্ষিণ –পূর্ব কোণে দাফন করা হয়।
থেমে থাকেনি ইসলাম প্রচারের কাজ।
শাহাদতের তামান্নায় উজ্জীবিত হয়ে মখদুম শাহদৌলা (রহঃ) অনুচররা অব্যাহত রাখেন প্রচার প্রসারের কাজ।
সুযোগ্য উত্তরসূরী ইউসুফ শাহ (রহঃ),শাহ হাবিবুল্লাহ (রহঃ),শাহ বদর (রহঃ), ওস্তাদ শামসুদ্দিন তাবরেজী (রহঃ) এর প্রচেষ্টায় দিন দিন ইসলাম ব্যাপকভাবে বিস্তার করে।
যার ফলে হিন্দুদের সংখ্যা কমে মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
ধীরে ধীরে এ অঞ্চলে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করা হয়।
এজন্য বহু সংখ্যক ঈমানদার মুসলমানকে শহীদ হতে হয়।
দরগাহপাড়ার বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য শহীদের কবর রয়েছে।
এমনকি এই মসজিদের দক্ষিণ কোণে শহীদদের গণ কবর বা গঞ্জে শহীদান রয়েছে। পরে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা শহীদী রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করে এ অঞ্চলে শাসন ভার অর্পিত হয় ইউসুফ শাহ (রহঃ) এর উপর। আর তাঁর নামানুসারেই এ অঞ্চলকে ইউসুফ শাহ পরগনার অধীনে নিয়ে আসা হয়।
পরবর্তীতে (১৫০০–১৫৭৬) খৃষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম সুলতানি আমলে এই মসজিদের নিদর্শন কাজ শুরু হয়।
তৎকালীন মুসলিম স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম কারুকার্য ব্যবহার করা হয় এর নির্মাণে।
১৫ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের উত্তর দক্ষিণ দৈর্ঘ্য ১৩.১৯ মিটার পূর্ব পশ্চিম প্রস্থ ১২.৬০ মিটার এবং ছাদের উপরিভাগের গম্বুজের ব্যাস ৩.০৮ মিটার।
গম্বুজের প্রতিটি মাথায় পিতলের কারুকার্য মন্ডিত।
যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
সূত্র : উইকিপিডিয়া

August 09, 2017

বই ফাতাওয়া ই আযিযীয়াহ্ শরীফ

               আসসালামু আলাইকুম
বই: ফাতাওয়া আযীযিয়াহ্
লেখক: মোজাদ্দেদ এ দ্বীন মিল্লাত ইমামে  আহলে সুন্নাত গাযী আজিজুল হক্ব শেরে বাংলা রহঃ
বঙ্গানুবাদ: মাওলানা মুহাম্মাদ এম এ মান্নান মাঃ জিঃ  আঃ

📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚📚
👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈

August 08, 2017

বই তবলীগে রসূল(দঃ) বনাম তবলীগে ইলিয়াসী

              আসসালামু আলাইকুম
বই : তবলীগে রসূল(দঃ) বনাম তবলীগে ইলিয়াসী।
লেখক : মুনাজিরে আহলে সুন্নাত অধ্যক্ষ শেখ মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল করিম সিরাজনগরী (মাঃ জিঃ আঃ)
📒📒📒📒📒📒📒📒📒📒📒📒📒📒
👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈

আহসান হাবীব পেয়ারের অশ্লীল ভিডিও

দেখুন নিজ চোখে
সেই বদমাইশ ভন্ড ওহাবী কওমী দওরা সার্টিফিকেট ওয়ালা আহসান হাবীব পেয়ারের অশ্লীল ভিডিও

বই ২০ রাকাত তারাভীহ নামাজ

আসসালামু আলাইকুম
বই: ২০ রাকাত তারাভীহ নামাজ
লেখক : ড. মাওলানা মুহাম্মাদ জাফর উল্লাহ
📓📓📓📓📓📓📓📓📓📓📓📓📓📓
👉👉👉👉👉ডাউনলোড👈👈👈👈👈